আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম কী?

Updated: 1 week ago
  • সাধু ভাষা
  • চলিত ভাষা
  • সংস্কৃত ভাষা
  • উপভাষা
1.3k
ব্যাখ্যাঃ

আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম হলো উপভাষা। একটি ভাষার ভৌগোলিক ভিন্নতা বা আঞ্চলিক রূপকে উপভাষা (Dialect) বলা হয়। একই ভাষার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের উচ্চারণে, শব্দচয়নে এবং বাক্য গঠনে যে ভিন্নতা দেখা যায়, সেগুলোই উপভাষা। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এই উপভাষার বৈচিত্র্য সুস্পষ্ট। যেমন, চট্টগ্রাম, সিলেট, নোয়াখালী, বরিশাল, রাজশাহী ইত্যাদি অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষা একে অপরের থেকে কিছুটা ভিন্ন।

        
  • সাধু ভাষা: এটি বাংলা ভাষার একটি পুরাতন, লিখিত রূপ। সাধারণত গদ্য রচনায় এর ব্যবহার দেখা যায়। এই ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয় এবং এর ব্যাকরণ কঠোরভাবে সংস্কৃত প্রভাবিত। এটি কোনো আঞ্চলিক ভাষা নয়, বরং একটি নির্দিষ্ট লেখার শৈলী।
  •     
  • চলিত ভাষা: এটি বাংলা ভাষার আধুনিক ও প্রমিত রূপ। সাধু ভাষার কাঠিন্য দূর করে এটি কথ্যরূপের কাছাকাছি আসে এবং ক্রমশ সাহিত্যে ও দৈনন্দিন জীবনে এর ব্যবহার বৃদ্ধি পায়। এটি ঢাকার সন্নিকটস্থ কলকাতা অঞ্চলের উপভাষা থেকে উদ্ভূত হয়ে প্রমিত রূপ লাভ করেছে। এটি নির্দিষ্ট কোনো অঞ্চলের বিশেষ ভাষা নয়, বরং সমগ্র বাংলাভাষী অঞ্চলের প্রমিত ও সর্বজনীন স্বীকৃত রূপ।
  •     
  • সংস্কৃত ভাষা: এটি একটি প্রাচীন ইন্দো-আর্য ভাষা। বাংলা ভাষার জন্ম ও বিকাশে সংস্কৃতের গভীর প্রভাব থাকলেও এটি বাংলা ভাষার কোনো উপভাষা নয়, বরং এটি একটি স্বতন্ত্র প্রাচীন ভাষা যা থেকে বাংলা সহ অনেক আধুনিক ভারতীয় ভাষার জন্ম হয়েছে।

সুতরাং, আঞ্চলিক ভাষা বলতে উপভাষাকেই বোঝানো হয়, যা নির্দিষ্ট অঞ্চলের মানুষের মুখের ভাষার স্বতন্ত্র রূপ।

Satt AI
Satt AI
1 month ago

কথ্য রীতির আঞ্চলিক ভেদ সহজে বোঝা যায়। এই আঞ্চলিক ভেদ সাধারণত অঞ্চলের নামে পরিচিতি পায়। যেমন নোয়াখালীর ভাষা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাষা, কিংবা সুন্দরবন অঞ্চলের ভাষা। ভাষার এই আঞ্চলিকতা উপভাষা নামে আখ্যায়িত হয়ে থাকে। বিভিন্ন অঞ্চলের সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে আঞ্চলিক ভাষা বলে। আঞ্চলিক ভাষার অপর নাম উপভাষা। আক্ষরিক অর্থে উপভাষা বলতে 'ভাষা'র চেয়ে একটু নিম্ন বা কিছুটা কম মর্যাদাসম্পন্ন ভাষাকে বোঝায়। পৃথিবীর সব ভাষারই উপভাষা আছে। সাধারণত ভৌগোলিক এলাকাভেদে বাংলা ভাষার নানা বৈচিত্র্য লক্ষ করা যায়। ভাষার এ আঞ্চলিক বৈচিত্র্যকে বলা হয় উপভাষা।

আঞ্চলিক কথ্য রীতির মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:
  • ভৌগোলিক বিভাজন: অঞ্চল অনুযায়ী ভাষার ধরণ সম্পূর্ণ আলাদা হয় ।

  • অনানুষ্ঠানিকতা: সাধারণত দৈনন্দিন আলাপচারিতায় ব্যবহৃত হয়।

  • বৈচিত্র্য: একই ভাষার ভিন্ন ভিন্ন রূপের (উপভাষা) উপস্থিতি থাকে ।

  • লেখ্য রূপে সীমাবদ্ধতা: সাহিত্য বা দাপ্তরিক কাজে এটি সচরাচর ব্যবহৃত হয় না ।

বাংলা ভাষার প্রধান কয়েকটি আঞ্চলিক রূপ :
  1. বাঙালি উপভাষা: বাংলাদেশের মধ্যভাগ ও দক্ষিণ অঞ্চলে প্রচলিত।

  2. পূর্বি উপভাষা: বাংলাদেশের পূর্ব অঞ্চল, ত্রিপুরা ও আসামের বরাক অঞ্চলে ব্যবহৃত।

  3. কামরূপি উপভাষা: পশ্চিমবঙ্গের উত্তর অঞ্চল, বিহারের পূর্ব অঞ্চল ও বাংলাদেশের রংপুর অঞ্চলে প্রচলিত।

  4. রাঢ়ি উপভাষা: পশ্চিমবঙ্গে প্রচলিত।

  5. ঝাড়খণ্ডি উপভাষা: পশ্চিমবঙ্গের পশ্চিম অঞ্চল ও ঝাড়খণ্ডের পূর্ব অঞ্চলে ব্যবহৃত।

যদিও আঞ্চলিক ভাষা লেখ্য হিসেবে সর্বজনগ্রাহ্য নয়, তবুও কথাসাহিত্যে চরিত্রের বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরিতে (যেমন- হাসান আজিজুল হকের 'আগুনপাখি' উপন্যাসে) এটি সার্থকভাবে ব্যবহৃত হয়।

Related Question

View All
  • বিহারের পূর্ব অঞ্চল
  • আসামের বরাক অঞ্চল
  • পশ্চিমবঙ্গ
  • ঝাড়খন্ডের পূর্ব অঞ্চল
50
শিক্ষকদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি

১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!

শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!

প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
প্রশ্ন এডিট করা যাবে
জলছাপ দেয়া যাবে
ঠিকানা যুক্ত করা যাবে
Logo, Motto যুক্ত হবে
অটো প্রতিষ্ঠানের নাম
অটো সময়, পূর্ণমান
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
অটো নির্দেশনা (এডিটযোগ্য)
অটো বিষয় ও অধ্যায়
OMR সংযুক্ত করা যাবে
ফন্ট, কলাম, ডিভাইডার
প্রশ্ন/অপশন স্টাইল পরিবর্তন
সেট কোড, বিষয় কোড
এখনই শুরু করুন ডেমো দেখুন
৫০,০০০+
শিক্ষক
৩০ লক্ষ+
প্রশ্নপত্র
মাত্র ১৫ পয়সায় প্রশ্নপত্র
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন তৈরি করুন আজই

Complete Exam
Preparation

Learn, practice, analyse and improve

1M+ downloads
4.6 · 8k+ Reviews

Question Analytics

মোট উত্তরদাতা

জন

সঠিক
ভুল
উত্তর নেই